আমাদের চিত্র কনটেন্ট

পরীক্ষায় ভালো করার ১০ পরামর্শ

18-Oct-2015

পরীক্ষায় ভালো করার জন্য পড়ালেখার সঙ্গে আরো অনেক বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. তালিবুল ইসলাম সরকার ও ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গৌর চন্দ্র মণ্ডল-এর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন হাবিবুর রহমান তারেক

১. টেনশনমুক্ত থাকতে হবে পরীক্ষা কক্ষে টেনশনমুক্ত ও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করতে হবে। দুশ্চিন্তা পরীক্ষার হলে ভালো পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। অনেক শিক্ষার্থী অতিরিক্ত টেনশনের কারণে অনেক জানা প্রশ্নের উত্তরও সঠিকভাবে করতে পারে না। প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর বাইরের সব চিন্তা বাদ দিয়ে প্রশ্নপত্রে মনোযোগ দিতে হবে। প্রশ্নপত্রে অন্তত একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে উত্তর করা শুরু করতে হবে।

২. কেমন হবে উত্তরপত্র উত্তরপত্রের ওপরে এক ইঞ্চি, নিচে এক ইঞ্চি, ডানে এক ইঞ্চি রেখে লেখা শুরু করলে ভালো হয়। মার্জিন ব্যবহার করতে পারেন। মার্জিন টানার জন্য পেনসিল ব্যবহার করা যেতে পারে। উত্তরপত্রে বিভিন্ন প্রশ্নের নম্বর লেখার পর এর নিচে সাইনপেন দিয়ে দাগ টেনে দিতে পারেন। কালো, নীল কিংবা সবুজ রংয়ের সাইনপেন ব্যবহার করা ভালো। কোনোভাবেই লাল রং ব্যবহার করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৩. প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর পুরো প্রশ্নটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। কোনো প্রশ্ন আংশিক পরিবর্তন করে দেওয়া হলো কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। প্রশ্নপত্র দেখে মনে মনে পুরো পরীক্ষার পরিকল্পনা করবেন। আপনি কিভাবে শুরু করবেন এবং কিভাবে শেষ করবেন, তার ছক করে নিলে পরীক্ষা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

৪. সময় বণ্টন প্রশ্নের মান অর্থাৎ নম্বর অনুযায়ী কতটুকু লিখতে হবে, তা নির্ধারণ করেই লেখা শুরু করতে হবে। বেশি নম্বরের প্রশ্নগুলো যতটুকু সম্ভব ভালো করে দেওয়া উচিত, তবে তা হতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। একটি রচনামূলক প্রশ্নের জন্য সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়। আর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরের জন্য ছয় মিনিট বরাদ্দ রেখে লিখতে পারলে ভালো হয়। তবে এটি নির্ভর করবে প্রশ্নের মানের ওপর।

৫. প্রশ্ন নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ যেসব প্রশ্নের উত্তর ভালো জানা আছে এবং বেশি নম্বরের, সেগুলো আগে লেখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। পরীক্ষক যখন খাতা মূল্যায়ন করবেন তখন শুরুতেই লেখার মান ভালো দেখলে শিক্ষার্থীর প্রতি ইতিবাচক ধারণা আসবে। এতে ওই বিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে। তুলনামূলক সহজ ও জানা প্রশ্নের উত্তর পর্যায়ক্রমে অর্থাৎ পরপর লেখাই ভালো।

৬. উত্তরপত্র পরিচ্ছন্ন হতে হবে ভালো নম্বর পেতে হলে ওভাররাইটিং, কাটাছেঁড়া, অস্পষ্ট লেখা পরিহার করতে হবে। লেখায় কোনো ভুল হলে একটি সমান্তরাল দাগে কেটে দিতে হবে। লেখার ভাষা সহজ-সরল ও প্রাঞ্জল হওয়াই ভালো। গণিত ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন চিহ্ন ও চিত্র স্পষ্ট করে লিখতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ হলে পরবর্তী পৃষ্ঠায় পরের প্রশ্নের উত্তর শুরু করাই ভালো। পয়েন্ট আকারে লিখলে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। এ ছাড়া প্রশ্নের উত্তরে ধারাবাহিকতা ভালো ফলের ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।

৭. লেখা অযথা বড় করা যাবে না বেশি লিখলে বেশি নম্বর পাওয়া যায়, এটি একটি ভুল ধারণা। অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক লিখে উত্তর বড় করার চেয়ে প্রাসঙ্গিক ও যথাযথ ছোট উত্তরেই বেশি নম্বর পাওয়া যায়। অপ্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে খাতা ভরলে সময় নষ্ট হবে, বেশি নম্বর পাওয়া যাবে না। অনেকেই কয়েক লাইনে এক পৃষ্ঠা শেষ করে পরবর্তী পৃষ্ঠায় লেখা শুরু করেন। পরীক্ষকরা এতে বিরক্ত হন। আবার খুব সংক্ষিপ্ত ও উত্তরে প্রয়োজনীয় অংশ না থাকলেও কাঙ্ক্ষিত নম্বর পাওয়া যায় না। আকর্ষণীয় ভূমিকা ও উপসংহার ভালো নম্বর পাওয়ার প্রধান শর্ত।

৮. প্রশ্ন কমন না পড়লে কমন প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ হওয়ার পর যথেষ্ট সময় থাকলেই আনকমন প্রশ্নে হাত দেওয়া উচিত। ক্লাসে শিক্ষক এ বিষয়টির ওপর আলোচনা করেছিলেন কি না তা মনে করার চেষ্টা করতে হবে। যতটুকু মনে পড়ে ততটুকুই সাজিয়ে লেখা যেতে পারে। তবে বেশি অনুমাননির্ভর না হওয়াই ভালো। কোনো বিষয়ে ভালো ধারণা না থাকলে বানিয়ে লিখলে ভালো নম্বর পাওয়ার আশা করা যায় না।

৯. লেখার শেষে রিভিশন রিভিশনের জন্য শেষ ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় হাতে রাখতে হবে। এ সময় সবার আগে লক্ষ করতে হবে প্রশ্নের সঙ্গে উত্তরপত্রে লেখা ক্রমিকের মিল আছে কি না। প্রশ্নের কোনো অংশের ক্রমিকও (যেমন ‘ক’ বা ‘খ’) ঠিকমতো লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে। ক্রমিক নম্বর ভুল হলে নম্বর না পাওয়ার আশঙ্কাই বেশি। এ ছাড়া কোথাও কোনো ভুল আছে কি না কিংবা কোনো প্রশ্ন বাদ পড়ল কি না, মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে।

১০. সতর্কতা ভালো পরীক্ষা দেওয়ার পরও কিন্তু ফল খারাপ করার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অসতর্কতা অথবা ছোট একটি ভুলের কারণে উত্তরপত্রই বাতিল হতে পারে। ওএমআর ফরম ঠিকভাবে পূরণ করা হয়েছে কি না, পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড প্রভৃতি ঠিকঠাক লেখা হয়েছে কি না, তা ভালোভাবে দেখতে হবে। আর অতিরিক্ত খাতা নেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তা মূল খাতায় লিখে রাখতে হবে।

কনটেন্টটি আপলোড করেছেন

Teacher's Name : Nur Alam Khan

Designation : Senior .assistant.teacher (ICT)

Upload Date : 18-Oct-2015

কাজী নজরুল ইসলাম

18-Oct-2015

কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে (১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজও করেছিলেন। কৈশোরে বিভিন্ন থিয়েটার দলের সাথে কাজ করতে গিয়ে তিনি কবিতা, নাটক এবং সাহিত্য সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। মধ্যবয়সে তিনি পিক্‌স ডিজিজে আক্রান্ত হন। এর ফলে আমৃত্যু তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। একই সাথে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকা আসেন। এসময় তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২৯শে অগাস্ট (১২ই ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কনটেন্টটি আপলোড করেছেন

Teacher's Name : Nur Alam Khan

Designation : Senior .assistant.teacher (ICT)

Upload Date : 18-Oct-2015

তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন

18-Oct-2015

বর্তমান সরকারের তিন বছরে দেশের তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে। গত রবিবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ কথা জানানো হয়। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, বৈঠকে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সদস্যরা আলোচনা করেন। এর আগে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটির সামনে পেশকৃত রিপোর্টে বলা হয়, বর্তমান সরকারের আমলে এ পর্যন্ত সারাদেশে তিন হাজার ১৭২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরী, মো. শাহিরয়ার আলম, তানভীর শাকিল জয়, জুনাইদ আহমেদ পলক এবং শওকত আরা বেগম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ আমন্ত্রণে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান অংশ নেন।

কনটেন্টটি আপলোড করেছেন

Teacher's Name : Nur Alam Khan

Designation : Senior .assistant.teacher (ICT)

Upload Date : 18-Oct-2015

আমার সোনার বাংলা

18-Oct-2015

আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না। সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের সাক্ষরে গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল। তবে ৭ অগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ অগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থাপ্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিল। আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাক-পিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রেগানটির সুরের অনুষঙ্গে।[২] সরলা দেবী চৌধুরানী ইতিপূর্বে ১৩০৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে তাঁর শতগান সংকলনে গগন হরকরা রচিত গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেছিলেন। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ-সমসাময়িক অনেক স্বদেশী গানের সুরই এই স্বরলিপি গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছিল। যদিও পূর্ববঙ্গেরবাউল ও ভাটিয়ালি সুরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচিতি ইতিপূর্বেই হয়েছিল বলে জানা যায়। ১৮৮৯-১৯০১ সময়কালে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলেজমিদারির কাজে ভ্রমণ ও বসবাসের সময় বাংলার লোকজ সুরের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তা ঘটে। তারই অভিপ্রকাশ রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী আন্দোলনের সমসাময়িক গানগুলি, বিশেষত আমার সোনার বাংলা।

কনটেন্টটি আপলোড করেছেন

Teacher's Name : Nur Alam Khan

Designation : Senior .assistant.teacher (ICT)

Upload Date : 18-Oct-2015

ইউজিসিতে তিনদিন ব্যাপী কর্মশালার সমাপনী

18-Oct-2015

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন টিচিং এন্ড লার্নিং (সিইটিএল) এর অধীনে Strengthening Teaching and Learning Capacity in the Higher Education Sector of Bangladesh শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (৩০জুলাই) ইউজিসি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা, প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, ইউজিসি সচিব ড. মোঃ খালেদ, ইউজিসি’র বিভাগীয় প্রধানগণ, অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। Mr. Hank Wiliams, UK Consultant and Mr. Mark Goodwin, UK Consultant and Faculty from Leicester University তিন দিনব্যাপী কর্মশালা পরিচালনা করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান দেশের জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার উপরে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে শিক্ষার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। এখন আমাদের শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখার দিকে নজর দিতে হবে। দেশে বর্তমানে ১২১টি বিশ্ববিদ্যালয় (৮৩টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়) রয়েছে। দেশের ৬৩% ছাত্র-ছাত্রী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা তিন মিলিয়ন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উপর জোর দেন। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ কৃষি, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন টিচিং এন্ড লার্নিং (সিইটিএল) এর পরিচালক এবং উপ-পরিচালকবৃন্দ এবং ইউজিসি’র কোয়ালিটি এসিউরেন্স ইউনিটের প্রধান এবং কিউএ স্পেশালিস্ট কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

কনটেন্টটি আপলোড করেছেন

Teacher's Name : Nur Alam Khan

Designation : Senior .assistant.teacher (ICT)

Upload Date : 18-Oct-2015